July 30, 2026, 11:41 pm
শিরোনাম:
মধুপুরের আলোকদিয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় বিএনপি নেতা মো. দেলোয়ার হোসেন স্বার্থহীন রাজনীতি ও জনসেবায় ব্রতী: আলোকদিয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় হযরত আলী শেখ অসহায় মানুষের পাশে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন সমাজসেবক মোঃ জিলানী টাঙ্গাইলের গোপালপুরে হেমনগরে যমুনার ভয়াবহ ভাঙন, ঝুঁকিতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ টাঙ্গাইলের হেমনগর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলেন কারানির্যাতিত বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান খান মিলন ইউপি চেয়ারম্যান পদের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক নির্ধারণে হাইকোর্টের রুল যমুনায় পানি বাড়ায় সিরাজগঞ্জে ভয়াবহ ভাঙন ব্রিজ নেই, নৌকাই ভরসা: ধনবাড়ীর স্পঞ্জেরপুর-পঞ্চাশী পারাপারে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর চরম দুর্ভোগ বায়ু ও শব্দদূষণ রোধে জিরো টলারেন্স নীতি, প্রধানমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশ কুষ্টিয়ার খোকসায় মাদকের টাকা নিয়ে বিরোধে দুইজনকে কুপিয়ে হত্যা: এলাকায় চাঞ্চল্য

তেঁতুলিয়ায় ইউএনওর বিরুদ্ধে ঘুষ ও অনিয়মের অভিযোগ: জনমনে তীব্র প্রতিক্রিয়া

মোঃ আবুল হোসেন রানা

তেঁতুলিয়ায় ইউএনওর বিরুদ্ধে ঘুষ ও অনিয়মের অভিযোগ: জনমনে তীব্র প্রতিক্রিয়া
‎​নিজস্ব প্রতিবেদক | তেঁতুলিয়া, পঞ্চগড়
‎​পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফরোজ শাহিন খসরুর বিরুদ্ধে সরকারি প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ ও ঘুষ দাবির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় এক ইউপি চেয়ারম্যানের করা এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা দেখা দিয়েছে, যা স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
‎​অভিযোগের বিবরণ
‎উপজেলার ৪ নম্বর শালবাহান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফুল ইসলাম অভিযোগ করেছেন, ইউনিয়নের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের ফাইল অনুমোদনের বিনিময়ে ইউএনও প্রকল্পের বরাদ্দের ১৫ শতাংশ হারে ঘুষ দাবি করছেন। টাকা প্রদান না করলে দীর্ঘ সময় ফাইল আটকে রাখা হচ্ছে বলে তিনি জানান। চেয়ারম্যানের ভাষ্যমতে, এই দুর্নীতি প্রক্রিয়াকে সহজতর করতে ইউএনও স্থানীয় এক প্রভাবশালী চেয়ারম্যানকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ব্যবহার করছেন।
‎​ইউএনও-র অবস্থান
‎পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজ শাহিন খসরু এসব অভিযোগকে ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, চেয়ারম্যান আশরাফুল ইসলামের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি আইনি মামলা চলমান রয়েছে। প্রশাসনিক নিয়ম অনুযায়ী এসব বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ শুরু হওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই অপপ্রচার চালাচ্ছেন। ইউএনও আরও উল্লেখ করেন যে, চেয়ারম্যানের নিজ কর্মকাণ্ড নিয়েও স্থানীয় পর্যায়ে নানা অভিযোগ রয়েছে।
‎​প্রভাব ও বর্তমান পরিস্থিতি
‎এই দ্বিপাক্ষিক অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের জেরে উপজেলার প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। উন্নয়ন প্রকল্পগুলো ব্যাহত হওয়ায় স্থানীয় সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সচেতন মহলে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে এবং প্রকৃত সত্য উদঘাটনের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে একটি নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি উঠেছে।