বিশ্বকাপের আমেজে টাঙ্গাইলে ফটোগ্রাফার ও সিনেমাটোগ্রাফারদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ
পেশাগত ব্যস্ততার বাইরে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ঐক্যের বার্তাj
সিঁদুর ঘোষ রাজকুমার, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি: ক্যামেরার লেন্সে মানুষের জীবনের বিশেষ মুহূর্তগুলোকে চিরস্মরণীয় করে রাখাই যাদের পেশা, সেই ফটোগ্রাফার ও সিনেমাটোগ্রাফাররাই এবার নেমেছিলেন সবুজ ঘাসের মাঠে। ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ উপলক্ষে টাঙ্গাইল ওয়েডিং ফটোগ্রাফার অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে জেলার ফটোগ্রাফার ও সিনেমাটোগ্রাফারদের অংশগ্রহণে এক প্রাণবন্ত প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (২১ জুন) টাঙ্গাইলের একটি মাঠে আয়োজিত এ ম্যাচে জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের ফটোগ্রাফার ও সিনেমাটোগ্রাফার দুটি দলে বিভক্ত হয়ে অংশ নেন। খেলার শুরু থেকেই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠে লড়াই। প্রতিটি মুহূর্তে ছিল প্রতিদ্বন্দ্বিতা, ক্রীড়াসুলভ মনোভাব এবং বিশ্বকাপের আবহ। টানটান উত্তেজনার ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত ২–১ গোলের ব্যবধানে শেষ হয়।
আয়োজকদের ভাষ্য, সারা বছর বিয়ে, সামাজিক অনুষ্ঠান ও বিভিন্ন আয়োজনে ব্যস্ত থাকেন ফটোগ্রাফার ও সিনেমাটোগ্রাফাররা। সেই ব্যস্ততার বাইরে সহকর্মীদের একত্রিত করা, পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও পেশাগত বন্ধন আরও দৃঢ় করতেই এ ব্যতিক্রমী আয়োজন। পাশাপাশি বিশ্বকাপ ফুটবলের আনন্দও সবাই মিলে ভাগাভাগি করে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
ম্যাচে জয়-পরাজয়ের চেয়ে অংশগ্রহণ, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতাকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। খেলা শেষে অংশগ্রহণকারীরা একে অপরকে শুভেচ্ছা জানান এবং স্মৃতিচারণমূলক আলোকচিত্র ধারণ করেন। পুরো আয়োজনজুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পিকচার স্টোরি ওয়েডিং অ্যান্ড ইভেন্টের সিইও অন্তর সাহা, রাকিব হাসান ফটোগ্রাফির সিইও রাকিব হাসান, মোমেন্টস কিপারের সিইও মারুফ হোসেন, ফাহিম ইসলামসহ জেলার স্বনামধন্য ফটোগ্রাফার, সিনেমাটোগ্রাফার এবং বিভিন্ন ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।
আয়োজকরা বলেন, এ ধরনের আয়োজন শুধু খেলাধুলার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি সৃজনশীল পেশাজীবীদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা, সম্প্রীতি ও ঐক্যের বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে। ভবিষ্যতেও জেলার ফটোগ্রাফার ও সিনেমাটোগ্রাফারদের অংশগ্রহণে ক্রীড়া, সামাজিক ও সৃজনশীল বিভিন্ন আয়োজন অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।