ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতৃত্বের সন্ধানে: মির্জাবাড়ী ইউনিয়নে আলোচনার কেন্দ্রে মো: মানিক মিয়া
নিজস্ব প্রতিবেদক, মধুপুর:
টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার ৬নং মির্জাবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশা করছেন মধুপুর সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক মো: মানিক মিয়া। বিগত ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের দুঃশাসন ও দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে রাজপথের লড়াকু এই ছাত্রনেতা বর্তমানে ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক হিসেবে নিজেকে মেলে ধরছেন।
ত্যাগের রাজনীতি ও সংগ্রামের ইতিহাস
মো: মানিক মিয়া ছাত্রজীবন থেকেই বিএনপির রাজনীতির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বিগত স্বৈরাচারী সরকারের আমলে একাধিক রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক মামলার শিকার হয়েছেন তিনি। শুধু তাই নয়, সাম্প্রতিক ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে’ তিনি সম্মুখ সারিতে থেকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে লড়াই করেছেন, যার ফলশ্রুতিতে তাকে নতুন করে মামলার আসামিও হতে হয়েছে। দলের জন্য বারবার জেল-জুলুম সহ্য করা এই নেতা তৃণমূল কর্মীদের কাছে একজন ‘টাইগার’ হিসেবে পরিচিত।
পারিবারিক ঐতিহ্য
মানিক মিয়ার রাজনীতির হাতেখড়ি তার মরহুম পিতা মো: আব্দুল মালেকের আদর্শে। তার পিতা ছিলেন মধুপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং মির্জাবাড়ী ইউনিয়নের সাবেক সফল ও জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। মরহুম আব্দুল মালেকের উন্নয়ন ও জনসেবার কথা মির্জাবাড়ীর মানুষের কাছে আজও স্মরণীয়। পিতার সেই অসমাপ্ত কাজগুলো সম্পন্ন করতে এবং ইউনিয়নকে একটি আধুনিক ও বৈষম্যহীন জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর মানিক মিয়া।
জনগণের প্রত্যাশা
মির্জাবাড়ী ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের দাবি, যারা বিপদে-আপদে পাশে থাকে এবং রাজপথে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়েছে, তাদেরই নেতৃত্বে আসা উচিত। এ প্রসঙ্গে মানিক মিয়া বলেন:
”আমার বাবা সারাজীবন এই ইউনিয়নের মানুষের সেবা করেছেন। আমি রক্ত দিয়ে হলেও দলের আদর্শ এবং জনগণের অধিকার রক্ষা করতে চাই। বৈষম্যমুক্ত সমাজ ও আধুনিক মির্জাবাড়ী গড়তে আমি আপনাদের সকলের দোয়া ও সমর্থন প্রার্থী।”
ইউনিয়নের সাধারণ ভোটাররা মনে করছেন, যোগ্য বাবার যোগ্য উত্তরসূরী হিসেবে মানিক মিয়াই পারেন মির্জাবাড়ী ইউনিয়নকে একটি মডেল ইউনিয়নে রূপান্তরিত করতে।